পুজোয় বেড়ানোর সেরা জায়গা ! জানুন ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশের (MP) সেরা দর্শনীয় স্থান, কলকাতা থেকে যাওয়ার উপায়, হোটেল ও খরচের সম্পূর্ণ গাইড।

শরতের নীল আকাশ, শিউলি ফুলের গন্ধ আর ঢাকের আওয়াজ—বাঙালির কাছে অক্টোবর মানেই এক চরম আকুলতা। কিন্তু এই চেনা উৎসবের আবহে যদি একটু অন্যরকম অভিজ্ঞতার স্বাদ পেতে চান? পুজো ছুটির দিনগুলোকে যদি মুড়ে দিতে চান আদিম অরণ্য, জলপ্রপাতের গর্জন আর প্রাচীন ইতিহাসের মায়াজালে?
তাহলে এবারের পুজোয় বেড়ানোর সেরা জায়গা বা গন্তব্য হোক ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) এবং মধ্যপ্রদেশ (Madhya Pradesh)। ভারতের এই দুই প্রতিবেশী রাজ্য অক্টোবর মাসে রূপের ডালি সাজিয়ে বসে থাকে। একদিকে ছত্তিশগড়ের আদিবাসী সংস্কৃতি আর প্রকৃতির আদিম রূপ, অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশের স্থাপত্য, আধ্যাত্মিকতা আর জঙ্গল—সব মিলিয়ে আপনার পুজো ভ্রমণকে এটি চিরস্মরণীয় করে রাখবে।
একজন পরিব্রাজক ও ট্রাভেল রাইটার হিসেবে আজ আমি আপনাদের নিয়ে যাব মধ্য ভারতের সেরা কিছু স্পটে, যা এই অক্টোবরের আবহাওয়ায় ঠিক কেমন দেখায়, কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন আর কত খরচ হতে পারে—তার সম্পূর্ণ গাইডলাইন নিয়ে।
১. ছত্তিশগড় ভ্রমণ গাইড: সেরা গন্তব্য (Top Destinations in Chhattisgarh)
ছত্তিশগড় মানেই এক অচেনা রোমাঞ্চ। ঘন শাল-পলাশের জঙ্গল, আদিম গুহা আর ভারতের সবচেয়ে চওড়া জলপ্রপাত—সব মিলিয়ে অক্টোবর মাসে এখানকার আবহাওয়া থাকে চমৎকার মনোরম।
ক) বস্তার ও চিত্রকূট জলপ্রপাত (Bastar & Chitrakote Falls)
ছত্তিশগড়ে পা রাখা মাত্রই যাঁর ডাক আপনাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করবে, তা হল ইন্দ্রাবতী নদী। আর এই নদীর বুকেই তৈরি হয়েছে, পুজোয় বেড়ানোর সেরা জায়গা, ভারতের নায়াগ্রা খ্যাত চিত্রকূট জলপ্রপাত (Chitrakote Falls)। বর্ষার ঠিক পরেই, অক্টোবরের বাতাসে যখন হালকা হিমেল ছোঁয়া লাগে, তখন চিত্রকূটের রূপ দেখার মতো হয়। ঘোলাটে রুদ্র রূপ ছেড়ে জলপ্রপাতের জল তখন কাচের মতো স্বচ্ছ হতে শুরু করে।
- কী দেখবেন: চিত্রকূটের পাশাপাশি দেখুন তীথগড় জলপ্রপাত (Tirathgarh Falls), যা ধাপে ধাপে নেমে আসা এক সাদা জলের চাদর। এছাড়াও ঘুরে দেখুন কুটুমসর গুহা (Kotumsar Caves) এবং দন্তেশ্বরী মন্দির।
- বিশেষ আকর্ষণ (বস্থার দশেরা): আপনি যদি অক্টোবরের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে যান, তবে চিত্রকূটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি দেখতে পাবেন বিশ্ববিখ্যাত ‘বস্তার দশেরা’। এটি ভারতের আর পাঁচটা দশেরার মতো নয়। এখানে রাবণ বধ হয় না, বরং আদিবাসী রীতিনীতি মেনে টানা ৭৫ দিন ধরে চলে মা দন্তেশ্বরীর আরাধনা। কয়েক হাজার আদিবাসী মানুষের ঐতিহ্যবাহী নাচ এবং বিশাল কাঠের রথ টানা দেখার অভিজ্ঞতা অভাবনীয়।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন (How to Reach)
- ট্রেনে: হাওড়া বা শালিমার থেকে ট্রেনে রায়পুর (Raipur) চলে যান (যেমন: Samarsata Express, Azad Hind Express)। রায়পুর থেকে জগদলপুর (Jagdalpur) যাওয়ার দূরপাল্লার বাস বা প্রাইভেট ট্যাক্সি পেয়ে যাবেন (দূরত্ব প্রায় ৩০০ কিমি, সময় লাগে ৬ ঘণ্টা)। বিকল্প হিসেবে বিশাখাপত্তনম হয়েও জগদলপুর পৌঁছানো যায় কিরাণ্ডুল এক্সপ্রেসে।
- বিমানে: কলকাতা থেকে সরাসরি বিমানে রায়পুর (Swami Vivekananda Airport) পৌঁছান। সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে সোজা জগদলপুর ও চিত্রকূটের দিকে রওনা দিন।
কোথায় থাকবেন (Where to Stay)
- চিত্রকূটে: ছত্তিশগড় পর্যটন উন্নয়ন নিগমের (CG Tourism) ‘দণ্ডামী লাক্সারি রিসোর্ট’ (Dandami Luxury Resort) চিত্রকূটের ঠিক সামনেই অবস্থিত। এর কটেজ থেকে জলপ্রপাতের গর্জন শোনা যায়।
- জগদলপুরে: শহরে প্রচুর বেসরকারি হোটেল ও হোমস্টে রয়েছে (যেমন: Hotel Grand Resort, Naman Bastar)।
আনুমানিক খরচ (Cost Approximation)
রায়পুর থেকে গাড়ি ভাড়া, দণ্ডামী রিসোর্টে ২ রাত থাকা এবং খাওয়া-দাওয়া বাবদ মাথাপিছু খরচ পড়বে প্রায় ৮,০০০ – ১২,০০০ টাকা (গ্রুপের আকারের ওপর নির্ভরশীল)।
খ) মৈনপাট: ছত্তিশগড়ের শিমলা (Mainpat)
ছত্তিশগড়ের উত্তর ভাগে সারগুজা জেলায় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩,৫০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই পাহাড়ি অঞ্চলটি ছত্তিশগড়ের শিমলা নামে পরিচিত। ১৯৬২ সালে তিব্বতি উদ্বাস্তুরা এখানে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে এটি মিনি তিব্বত হিসেবেও পরিচিতি পায়।
- কী দেখবেন: এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো ‘উল্টা পানি’ (যেখানে জল ঢালু বেয়ে ওপরের দিকে ওঠে) এবং ‘দলদলি’ বা বাউন্সিং ল্যান্ড (যে মাটির ওপর দাঁড়ালে জেলি বা স্পঞ্জের মতো মাটি দুলতে থাকে)। এছাড়াও রয়েছে বুদ্ধ মন্দির, ফিশ পয়েন্ট জলপ্রপাত এবং টাইগার পয়েন্ট।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন
- হাওড়া থেকে ট্রেনে অম্বিকাপুর (Ambikapur) বা বিলাসপুর (Bilaspur) স্টেশন নামুন। অম্বিকাপুর থেকে মৈনপাটের দূরত্ব মাত্র ৫০ কিমি। গাড়ি ভাড়া করে অনায়াসে চলে যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন
- ছত্তিশগড় ট্যুরিজমের ‘শৈল্য রিসোর্ট’ (Shaila Resort) মৈনপাটের অন্যতম সেরা থাকার জায়গা।
আনুমানিক খরচ
কলকাতা থেকে ট্রেনে গিয়ে মৈনপাটে ২ রাত কাটালে মাথাপিছু খরচ হবে ৬,০০০ – ৮,০০০ টাকা।
আরও পড়ুন :- মধ্যপ্রদেশের সেরা 10টি দুর্গ কিভাবে ও কখন যাবেন
২. মধ্যপ্রদেশের সেরা গন্তব্যসমূহ (Top Destinations in Madhya Pradesh)
“হিন্দুস্থানের দিল” বলা হয় মধ্যপ্রদেশকে। অক্টোবরের শরৎকালে এখানের ইতিহাস ও প্রকৃতি যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায়। পুজো ছুটিতে মধ্যপ্রদেশের দুটি সার্কিট সবচেয়ে জনপ্রিয়।
ক) জবলপুর, ভেড়াঘাট এবং অমরকণ্টক (Jabalpur, Bhedaghat & Amarkantak)
নর্মদা নদীর মায়াবী রূপ যদি দেখতে চান, তবে পুজো ছুটিতে এই রুটটি আপনার জন্য আদর্শ। জবলপুরের কাছেই ভেড়াঘাটে নর্মদা নদী শ্বেতপাথরের পাহাড় কেটে এগিয়ে চলেছে।
- কী দেখবেন: ভেড়াঘাটের মার্বেল রকস (Marble Rocks), যেখানে নৌকাবিহারের অভিজ্ঞতা চাঁদের আলোয় স্বর্গীয় মনে হয়। পাশেই রয়েছে প্রচণ্ড গতিতে আছড়ে পড়া ধুয়াঁধার জলপ্রপাত (Dhuandhar Falls)।
- এর পর চলে যান অমরকণ্টক (Amarkantak)—নর্মদা ও সোন নদীর উৎপত্তিস্থল। এটি পাহাড় ঘেরা এক শান্ত তীর্থভূমি ও হিল স্টেশন। নর্মদাকুণ্ড, কপিলাধারা ও দুগ্ধধারা জলপ্রপাত এবং প্রাচীন কলচুরি আমলের মন্দির আপনার মন ভালো করে দেবে।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন
- ট্রেনে: হাওড়া থেকে সরাসরি ট্রেন রয়েছে জবলপুর যাওয়ার (যেমন: Shaktipunj Express, Howrah – Jabalpur Shaktipunj Express)। অমরকণ্টক প্রথমে যেতে চাইলে শালিমার থেকে ট্রেনে পেন্দ্রা রোড (Pendra Road) স্টেশনে নামুন, সেখান থেকে অমরকণ্টক মাত্র ৪০ কিমি।
- বিমানে: কলকাতা থেকে জবলপুর বিমানবন্দর (Dumna Airport) পর্যন্ত কানেক্টিং ফ্লাইট রয়েছে।
কোথায় থাকবেন
- ভেড়াঘাটে: MP Tourism-এর ‘মোটেল মার্বেল রকস’ (Motel Marble Rocks)।
- অমরকণ্টকে: MP Tourism-এর ‘হলিডে হোমস’ (Holiday Homes) অথবা রামকৃষ্ণ মিশনের গেস্ট হাউস।
আনুমানিক খরচ
৪ রাত ৫ দিনের এই ট্রিপে ট্রেন ভাড়া সহ মাথাপিছু খরচ হতে পারে ১০,০০০ – ১৪,০০ টাকা।
খ) খাজুরাহো ও ওর্ছা (Khajuraho & Orchha)
বাঙালি সংস্কৃতিপ্রেমী অথচ খাজুরাহো যাননি, এমন মানুষ কমই আছেন। অক্টোবরের মনোরম হালকা ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় চণ্ডেল রাজাদের তৈরি এই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান (UNESCO World Heritage Site) ঘুরে দেখার মজাই আলাদা।
- কী দেখবেন: খাজুরাহোর পশ্চিম ও পূর্ব গ্রুপের মন্দিরসমূহের সূক্ষ্ম মিথুন ভাস্কর্য ও স্থাপত্য। এরপর বেতয়া নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক শহর ওর্ছা (Orchha)। ওর্ছার জাহাঙ্গীর মহল, রাম রাজা মন্দির এবং ছত্রীসমূহ (Chhatris) আপনাকে বুন্দেলখণ্ডের রাজকীয় ইতিহাসে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন
- হাওড়া থেকে সরাসরি চম্বল এক্সপ্রেস (Chambal Express) বা অন্যান্য ট্রেনে গোয়ালিয়র অথবা ঝাঁসি (Jhansi/Virangana Lakshmibai) নামুন। ঝাঁসি থেকে ওর্ছা মাত্র ১৫ কিমি। ওর্ছা থেকে খাজুরাহো গাড়ি বা ট্রেনে যাওয়া যায় (দূরত্ব ১৭০ কিমি)।
কোথায় থাকবেন
- এমপি ট্যুরিজমের ‘ঝঙ্কার’ বা ‘পায়েল’ হোটেল খাজুরাহোতে এবং ওর্ছাতে ‘বেতয়া রিট্রিট’ (Betwa Retreat) অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আরামদায়ক।
আনুমানিক খরচ
৩ রাত ৪ দিনের ওর্ছা-খাজুরাহো সার্কিটে মাথাপিছু খরচ পড়বে ৯,০০০ – ১৩,০০০ টাকা।
আরও পড়ুন :- ছত্তিশগড়ের দর্শনীয় স্থান জনপ্রিয় 7 টি গন্তব্যের সব খবর
পুজো ছুটির সম্পূর্ণ ভ্রমণ পরিকল্পনা (Suggested Route Itinerary)
আপনার সুবিধার্থে ছত্তিশগড় এবং মধ্যপ্রদেশের জবলপুর অংশকে মিলিয়ে একটি আদর্শ ৭ দিনের ভ্রমণ ছক নিচে দেওয়া হলো:
- কলকাতা থেকে রায়পুর আগমন: দিন ১.
কলকাতা থেকে সকালের ফ্লাইটে বা আগের রাতের ট্রেনে রায়পুর পৌঁছান। রায়পুর বিমানবন্দর বা স্টেশন থেকে প্রি-বুক করা গাড়ি নিয়ে রওনা দিন জগদলপুরের উদ্দেশ্যে (৬ ঘণ্টা)। পথে কোন্ডাগাঁওয়ের আদিবাসী ডোকরা শিল্প দেখে নিতে পারেন। রাতে জগদলপুর বা চিত্রকূটে থাকুন।
- চিত্রকূটের মায়া ও জলপ্রপাতের গর্জন: দিন ২.
সকালে চিত্রকূটের বিশাল রূপ উপভোগ করুন। বোটিং করুন জলপ্রপাতের নিচে। দুপুরের পর চলে যান তীথগড় জলপ্রপাত এবং কুটুমসর গুহা দেখতে। সন্ধ্যায় চিত্রকূটের আরতি বা দশেরার উৎসবের আমেজ উপভোগ করুন।
- জগদলপুর থেকে পেন্দ্রা রোড (অমরকণ্টক) যাত্রা: দিন ৩.
সকালে জগদলপুর রাজপ্রাসাদ দেখে রায়পুর হয়ে রাতের ট্রেনে বা গাড়িতে চলে যান পেন্দ্রা রোড (অমরকণ্টক)।
- পবিত্র অমরকণ্টক দর্শন: দিন ৪.
অমরকণ্টকের নর্মদাকুণ্ড, মাই কি বাগিয়া, কপিলাধারা ও দুগ্ধধারা জলপ্রপাত ঘুরে দেখুন। মাইক পাহাড়ের শান্ত নির্জনতায় সময় কাটান। রাতে অমরকণ্টকে রাত্রিযাপন।
- অমরকণ্টক থেকে জবলপুর ও ভেড়াঘাট: দিন ৫.
সকালে অমরকণ্টক থেকে গাড়ি নিয়ে রওনা দিন জবলপুরের উদ্দেশ্যে (দূরত্ব প্রায় ২২০ কিমি, সময় ৪.৫ ঘণ্টা)। বিকেলে ভেড়াঘাটে ধুয়াঁধার জলপ্রপাত দেখুন। সন্ধ্যায় নর্মদা নদীতে সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে নৌকাভ্রমণ করুন।
- জবলপুর সাইটসিয়িং ও কেনাকাটা: দিন ৬.
জবলপুরের চৌষট্টি যোগিনী মন্দির, মদন মহল দুর্গ এবং ব্যালেন্সিং রক দেখুন। স্থানীয় বাজার থেকে চanderi বা Maheshwari শাড়ি কেনাকাটা করতে পারেন। রাতে কলকাতার ফিরতি ট্রেন ধরুন।
- কলকাতা প্রত্যাবর্তন: দিন ৭.
স্মৃতির ঝুলি পূর্ণ করে সকালে বা দুপুরে কলকাতা পৌঁছানো।
বাজেট ও বুকিংয়ের স্মার্ট টিপস (Budgeting & Tips)
| খরচের খাত | আনুমানিক মূল্য (প্রতি ব্যক্তি) | পরামর্শ |
|---|---|---|
| যাতায়াত (কলকাতা থেকে) | ₹৩,৫০০ – ₹৮,০০০ | পুজো ছুটির অন্তত ৩-৪ মাস আগে ট্রেনের টিকিট বা বিমানের টিকিট কেটে রাখুন। |
| থাকা (সরকারি রিসোর্ট) | ₹২,০০০ – ₹৪,০০০ (প্রতি রাত) | ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশ ট্যুরিজমের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি বুকিং করুন। |
| খাবার ও অন্যান্য | ₹৮০০ – ₹১,৫০০ (প্রতি দিন) | স্থানীয় ছত্তিশগড়ি থালি বা মধ্যপ্রদেশের ‘ভুট্টা কি কিস’ ও ‘পোহা-জিলেবি’ অবশ্যই ট্রাই করবেন। |
- প্যাকিং গাইড: অক্টোবর মাসে এই অঞ্চলে দিনের বেলা মনোরম গরম থাকলেও, ভোরের দিকে এবং রাতে হালকা ঠান্ডা ভাব (বিশেষ করে অমরকণ্টক ও মৈনপাটে) থাকে। তাই সাথে হালকা একটি চাদর বা জ্যাকেট অবশ্যই রাখবেন।
- দশেরা বুকিং: যদি বস্তার দশেরা দেখতে চান, তবে জগদলপুরের হোটেল অন্তত ২ মাস আগে বুক করুন, কারণ এই সময়ে দেশ-বিদেশ থেকে বহু পর্যটক আসেন।
তাহলে আর দেরি কেন? চেনা দীঘি-পুরী-দার্জিলিংয়ের ভিড় এড়িয়ে এবারের পুজোয় পাড়ি জমান ভারতের এই অফবিট ও ঐতিহাসিক হৃদপিণ্ডে। শুভ যাত্রা!

প্রতীক দত্তগুপ্ত, থাকেন কলকাতায়, কাজ বাদে বেড়ানোই যার প্রথম ভালবাসা। এই কয়েক বছর হল বেড়ানোর সাথে কলমও ধরেছেন । তিনি শুধুমাত্র যে জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন সেগুলি সম্পর্কেই ব্লগ করেন না, তবে তিনি তার অনুগামীদের জন্য টিপস, কৌশল এবং নির্দেশিকাগুলি সম্পর্কেও পোস্ট করেন৷



