দুর্গাপুজোর ছুটিতে ১০টি কম ভিড়ের ভ্রমণ গন্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত খবর – কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন এবং আনুমানিক খরচ ও সমস্ত তথ্য দেওয়া হল।

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ উৎসব হলো দুর্গাপুজো। কিন্তু উৎসবের এই দিনগুলিতে কলকাতা বা তার আশেপাশের চেনা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে (যেমন দিঘা, পুরী, বা দার্জিলিং) তিল ধারণের জায়গা থাকে না। কোলাহল আর ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে যদি এই পুজোয় আপনি একটু নিরিবিলিতে, শান্তির আমেজে কাটাতে চান, তবে আপনার জন্য রইল ১০টি অসাধারণ এবং কম ভিড়ের (Offbeat) ভ্রমণ গন্তব্যের হদিশ।
পশ্চিমবঙ্গের ১০টি কম ভিড়ের ভ্রমণ গন্তব্য
এই নির্দেশিকায় কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন এবং আনুমানিক খরচ কেমন হবে—তার সমস্ত খুঁটিনাটি আলোচনা করা হলো।
১. টুংলিং (Tunling) – পাহাড়ের কোলে এক নির্জন স্বর্গ
দার্জিলিং বা মিরিকের ভিড় থেকে বহু দূরে, ভারত-নেপাল সীমান্তের সান্দাকফু ট্রেইলের ওপর অবস্থিত একটি ছোট্ট শান্ত গ্রাম হলো টুংলিং। কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ রূপ এবং মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি দেখতে এর জুড়ি মেলা ভার।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন:
- ট্রেনে: শিয়ালদহ বা হাওড়া থেকে ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) স্টেশন পৌঁছান।
- রাস্তায়: NJP বা শিলিগুড়ি থেকে শেয়ার বা রিজার্ভ গাড়িতে প্রথমে মানেভঞ্জন (Manebhanjan) যান। মানেভঞ্জন থেকে ল্যান্ড রোভার বা ফোর-হুইল ড্রাইভ (4WD) গাড়ি ভাড়া করে টুংলিং পৌঁছাতে হয়।
কোথায় থাকবেন:
টুংলিং-এ মূলত হোমস্টে (Homestay) এবং ছোট ট্র্যাকার্স হাট প্রধান ভরসা। ‘শিখর হোমস্টে’ বা ‘শিখা হোমস্টে’-তে স্থানীয় লেপচা ও নেপালি আতিথেয়তার স্বাদ পাবেন।
আনুমানিক খরচ (৪ দিন ৩ রাত):
জনপ্রতি প্রায় ৮,৫০০ – ১১,০০০ টাকা (কলকাতা থেকে যাতায়াত, থাকা ও খাওয়াসহ)।
২. চিল্কিগড় (Chilkigarh) – অরণ্য আর ইতিহাসের মেলবন্ধন

পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের সীমান্তে অবস্থিত চিল্কিগড় প্রকৃতিপ্রেমী এবং ইতিহাস অনুরাগীদের জন্য এক আদর্শ জায়গা। ডুলুং নদীর তীরে অবস্থিত কনকদুর্গা মন্দির এবং তার চারপাশের ঘন জঙ্গল আপনাকে এক প্রাচীন ও শান্তিময় অনুভূতি দেবে।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন:
- ট্রেনে: হাওড়া থেকে ঝাড়গ্রামগামী যেকোনো ট্রেনে (যেমন হাওড়া-ঘাটশিলা লোকাল বা ইস্পাত এক্সপ্রেস) ঝাড়গ্রাম স্টেশনে নামুন।
- রাস্তায়: ঝাড়গ্রাম স্টেশন থেকে অটো বা গাড়ি ভাড়া করে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে চিল্কিগড় পৌঁছানো যায়। কলকাতা থেকে গাড়িতে এলে খড়গপুর হয়ে লোধাশুলি মোড় ঘুরে যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন:
ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ী ট্যুরিস্ট কমপ্লেক্স (WBTDCL) বা চিল্কিগড়ের কাছাকাছি বেসরকারি রিসোর্ট যেমন ‘অরণ্য অরণ্য রিসোর্ট’।
আনুমানিক খরচ (৩ দিন ২ রাত):
জনপ্রতি প্রায় ৪,৫০০ – ৬,০০০ টাকা।
আরও পড়ুন :- স্লো ট্রাভেল: ধীরে ভ্রমণ করার গাইড – এই ট্রাভেল ফর্ম আরও জনপ্রিয় হচ্ছে
৩. মৌসুনি দ্বীপ (Mousuni Island) – সমুদ্রের নির্জন রূপকথা

নামখানা ব্লকের অন্তর্গত বকখালি বা সাগরের মতো ভিড় এখানে নেই। মৌসুনি দ্বীপ হলো নদী আর সমুদ্রের মোহনায় এক শান্ত বালিয়াড়ি, যেখানে মাটির কাছাকাছি থেকে পুজো কাটানো যায়।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন:
- ট্রেনে/বাসে: শিয়ালদহ থেকে নামখানাগামী ট্রেনে বা ধর্মতলা থেকে বাসে নামখানা পৌঁছান।
- নৌকায় ও টোটোয়: নামখানা ঘাট থেকে হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদী পেরিয়ে ওপারে যান। সেখান থেকে দশমাইল মোড় হয়ে খেয়াঘাট পার হয়ে টোটো ধরে মৌসুনি দ্বীপের বালিয়াড়িতে পৌঁছানো যায়।
কোথায় থাকবেন:
এখানে থাকার জন্য চমৎকার সব মাড-হাউস (Mud House) এবং বিচ টেন্ট (Beach Tent) রয়েছে। ‘মৌসুনি ব্যাকপ্যাকার্স ক্যাম্প’ বা ‘দ্য সল্ট লেক ক্যাম্প’ অন্যতম জনপ্রিয়।
আনুমানিক খরচ (৩ দিন ২ রাত):
জনপ্রতি প্রায় ৩,৫০০ – ৫,০০০ টাকা।
৪. তাকদা এবং বারমিয়ক (Takdah & Barmiok) – কুয়াশার চাদরে ঢাকা পাইন বন

দার্জিলিং জেলার এক পুরোনো ব্রিটিশ সেনানিবাস বা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা হলো তাকদা। তার ঠিক পাশেই রয়েছে বারমিয়ক। চা বাগান, পাইন বন আর ব্রিটিশ আমলের বাংলোর শান্ত পরিবেশ পুজোর দিনগুলোতে এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি করে।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন:
- ট্রেনে/বিমানে: NJP স্টেশন বা বাগডোগরা বিমানবন্দর নামুন।
- রাস্তায়: সেখান থেকে তিস্তা বাজার হয়ে গাড়ি রিজার্ভ করে সরাসরি তাখদা যাওয়া যায় (দূরত্ব প্রায় ৮০ কিমি)।
কোথায় থাকবেন:
ব্রিটিশ আমলের হেরিটেজ বাংলো (যেমন Takdah Heritage Bungalow No. 12) অথবা স্থানীয় সাই ট্যুরিজম হোমস্টে।
আনুমানিক খরচ (৪ দিন ৩ রাত):
জনপ্রতি প্রায় ৯,০০০ – ১২,০০০ টাকা।
আরও পড়ুন :- ভারতে দেশীয় ভ্রমণ বিমার প্রয়োজনীয়তা, একটি সম্পূর্ণ গাইড
৫. ডুয়ার্সের দলগাঁও (Dalgaon) – ছবির মতো সাজানো গ্রাম
জলপাইগুড়ি জেলার ভুটান সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত দলগাঁও। জলঢাকা নদীর উপত্যকায় গড়ে ওঠা এই গ্রামে ওষধি গাছের চাষ এবং কাঠের তৈরি সুন্দর বাড়িগুলো দেখার মতো। এখানে এলে মনে হবে কোনো ক্যানভাসে আঁকা ছবিতে পা রেখেছেন।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন:
- ট্রেনে: শিয়ালদহ থেকে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসে চেপে সরাসরি নিউ মাল জংশন (New Mal Jn) নামুন।
- রাস্তায়: মাল জংশন থেকে বীরপাড়া হয়ে দলগাঁও ভিউ পয়েন্টের দিকে গাড়ি ভাড়া করে চলে যান।
কোথায় থাকবেন:
দলগাঁও ইকো হোমস্টে বা স্থানীয় গ্রামবাসীদের দ্বারা পরিচালিত কাঠের হোমস্টেগুলোতে থাকার চমৎকার ব্যবস্থা আছে।
আনুমানিক খরচ (৪ দিন ৩ রাত):
জনপ্রতি প্রায় ৭,৫০০ – ১০,০০০ টাকা।
৬. গড়পঞ্চকোট ও বড়ন্তি (Garpanchakot & Baranti) – পাহাড় ও জলাশয়ের মায়াজাল

পুরুলিয়ার পাঞ্চেত পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত গড়পঞ্চকোটের ঐতিহাসিক ধ্বংসাবশেষ এবং তার পাশেই শান্ত বড়ন্তি লেক। পুজোর সময়ে কাশফুলে মোড়া এই অঞ্চলটি শহুরে ক্লান্তি দূর করতে এক দারুণ বিকল্প।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন:
- ট্রেনে: হাওড়া থেকে ব্ল্যাক ডায়মন্ড বা কোলফিল্ড এক্সপ্রেসে আসানসোল বা বরাকর স্টেশনে নামুন।
- রাস্তায়: স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ামতপুর হয়ে পাঞ্চেত পেরিয়ে গড়পঞ্চকোট বা বড়ন্তি যাওয়া যায়। কলকাতা থেকে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে ধরে সরাসরি গাড়িতেও যাওয়া সম্ভব (দূরত্ব প্রায় ২৫০ কিমি)।
কোথায় থাকবেন:
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বন উন্নয়ন নিগমের (WBFDC) প্রকৃতি ভ্রমণ কেন্দ্র অথবা বড়ন্তি লেকের ধারে ‘আকাশমণি রিসোর্ট’।
আনুমানিক খরচ (৩ দিন ২ রাত):
জনপ্রতি প্রায় ৫,০০০ – ৭,০০০ টাকা।
আরও পড়ুন :- মধ্যপ্রদেশের দর্শনীয় দুর্গ, সেরা 10টি কিভাবে ও কখন যাবেন
৭. সিটং (Sittong) – কমলার দেশ ও শান্ত উপত্যকা
কার্শিয়াং মহকুমার অন্তর্গত সিটং বা লেপচা জগৎ-এর এই অংশটি কমলালেবুর বাগান এবং রিয়ং নদীর জন্য বিখ্যাত। পুজোর ঠিক পরপরই এখানে কমলালেবুর সবুজ ফলগুলো পাকতে শুরু করে। কাঞ্চনজঙ্ঘার এক অপরূপ এবং সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃশ্য সিটং থেকে পাওয়া যায়।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন:
- ট্রেনে: NJP স্টেশনে নামুন।
- রাস্তায়: NJP থেকে সেভক রোড হয়ে কালিলীঝোর বা মংপু হয়ে সিটং পৌঁছানো যায়। গাড়ি ভাড়া করতে খরচ হবে প্রায় ৩,৫০০ – ৪,৫০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন:
সিটং-এ প্রচুর চমৎকার লেপচা হোমস্টে গড়ে উঠেছে। ‘সিটং জিপিএস হোমস্টে’ বা ‘লালি গুরাস হোমস্টে‘-তে থাকতে পারেন।
আনুমানিক খরচ (৪ দিন ৩ রাত):
জনপ্রতি প্রায় ৮,০০০ – ১০,৫০০ টাকা।
৮. ঘাটেরছত্র ও ধামাইত (Ghatarchatra & Dhamait) – উত্তরবঙ্গের অচেনা নদীচর
কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার জেলার সীমান্তে অবস্থিত এই অঞ্চলটি তোর্সা এবং কালজানি নদীর মিলনস্থল। দিগন্তবিস্তৃত কাশবন, নদীর চরের শান্ত হাওয়া আর গ্রামীণ পরিবেশ পুজোর দিনগুলোতে এক অদ্ভুত মানসিক শান্তি দেয়।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন:
- ট্রেনে: শিয়ালদহ বা হাওড়া থেকে তিস্তা তোর্সা বা উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসে নিউ কোচবিহার স্টেশনে নামুন।
- রাস্তায়: কোচবিহার শহর থেকে লোকাল বাস বা গাড়ি ভাড়া করে দিনহাটা রোড ধরে এই অফবিট গ্রামগুলোতে পৌঁছানো যায়।
কোথায় থাকবেন:
এখানে বড় কোনো হোটেল নেই। কোচবিহার শহরের হোটেল বা ট্যুরিস্ট লজে থেকে ডে-ট্রিপ হিসেবে ঘুরে আসা যায়, অথবা স্থানীয় কিছু গ্রামীণ হোমস্টে ব্যবহার করা যেতে পারে।
আনুমানিক খরচ (৪ দিন ৩ রাত):
জনপ্রতি প্রায় ৭,০০০ – ৯,০০০ টাকা।
৯. কালিপুর ইকো ভিলেজ ও গরুমারা (ডুয়ার্স)

ডুয়ার্সের লাটাগুড়ি বা জলদাপাড়ায় পুজোয় পর্যটকদের প্রচণ্ড চাপ থাকে। কিন্তু গরুমারা জাতীয় উদ্যানের ঠিক সীমানায় অবস্থিত কালিপুর ইকো ভিলেজ (Kalipur Eco Village) সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদ এনে দেবে। এখানে থাকার জন্য রয়েছে কাঠের তৈরি আদিবাসী কটেজ বা এলিফ্যান্ট ক্যাম্প। হাতির পিঠে চড়ে জঙ্গল সাফারির পাশাপাশি আদিবাসী নাচ ও সংস্কৃতির স্বাদ পাওয়া যায় একদম ঘরোয়া পরিবেশে।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন:
- ট্রেনে: কলকাতা থেকে ট্রেনে NJP বা নিউ মাল জংশন। সেখান থেকে লাটাগুড়ি হয়ে কালিপুর ফরেস্ট ক্যাম্পের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিমি।
- রাস্তায়: বাঁকুড়া থেকে বাসে বা গাড়ি ভাড়া করে খাতড়া হয়ে বেলদিহি পৌঁছানো যায়।
কোথায় থাকবেন:
বন উন্নয়ন দপ্তরের নিজস্ব কালিপুর ইকো রিসোর্ট। এটি আগে থেকে ডিরেক্ট ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইট থেকে বুক করতে হয়।
আনুমানিক খরচ :
কটেজের প্যাকেজ খরচ একটু বেশি (থাকা, ৩ বেলার খাওয়া এবং একটি ইভনিং ট্রাইবাল ড্যান্স শো সহ) প্রতি জোড়ায় ৪,৫০০ – ৫,৫০০ টাকা প্রতি রাত।
১০. ঝিলিমিলি এবং রিমিল (Jhilimili & Rimil) – বাংলার আমাজন
বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং মেদিনীপুর সীমানার মিলনস্থলে অবস্থিত ঝিলিমিলি। মাইলের পর মাইল বিস্তৃত ঘন জঙ্গল আর তার মাঝখান দিয়ে এঁকেবেঁকে চলে যাওয়া কংসাবতী নদী। একে অনেকে ‘বাংলার আমাজন’-ও বলে থাকেন। পুজোর মরশুমে এখানকার প্রকৃতি একেবারে সতেজ ও সবুজ থাকে।
কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন:
- ট্রেনে: শালিমার বা হাওড়া থেকে ট্রেনে ঝাড়গ্রাম বা বাঁকুড়া নামুন।
- রাস্তায়: বাঁকুড়া বা ঝাড়গ্রাম থেকে সরাসরি বাস বা গাড়ি ভাড়া করে ঝিলিমিলি যাওয়া যায়। কলকাতা থেকে সরাসরি এসবিএসটিসি (SBSTC) বাসও পাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন:
রিমিল ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র (Rimil Eco Tourism Centre) যা সরাসরি বনের মধ্যে অবস্থিত এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনস্থ।
আনুমানিক খরচ (৩ দিন ২ রাত):
জনপ্রতি প্রায় ৫,০০০ – ৭,৫০০ টাকা।
পুজো গাইড ও কিছু জরুরি টিপস:
১. অগ্রিম বুকিং: অফবিট জায়গা হলেও পুজোর সময় গাড়ি এবং ট্রেনের টিকিটের চাহিদা থাকে, তাই অন্তত ২-৩ মাস আগে যাতায়াত ব্যবস্থা বুক করে রাখুন।
২. স্থানীয় সংস্কৃতিকে সম্মান জানান: গ্রামীণ বা পাহাড়ি হোমস্টেতে থাকার সময় স্থানীয় মানুষদের সংস্কৃতি এবং খাদ্যাভ্যাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকুন।
৩. ওষুধ ও ক্যাশ টাকা: এই সমস্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে এটিএম (ATM) বা ওষুধের দোকান সবসময় নাও মিলতে পারে। তাই পর্যাপ্ত নগদ টাকা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সাথে রাখুন।
এই পুজোয় তবে আর চেনা ভিড়ে না গিয়ে, প্রকৃতির কোলে হারিয়ে যান এই ১০টি মায়াবী গন্তব্যের যেকোনো একটিতে! শুভ শারদীয়া ও শুভ ভ্রমণ!

প্রতীক দত্তগুপ্ত, থাকেন কলকাতায়, কাজ বাদে বেড়ানোই যার প্রথম ভালবাসা। এই কয়েক বছর হল বেড়ানোর সাথে কলমও ধরেছেন । তিনি শুধুমাত্র যে জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন সেগুলি সম্পর্কেই ব্লগ করেন না, তবে তিনি তার অনুগামীদের জন্য টিপস, কৌশল এবং নির্দেশিকাগুলি সম্পর্কেও পোস্ট করেন৷



