কলকাতা থেকে পশ্চিমবঙ্গের সেরা ১০টি রোড ট্রিপ – কোন পথে যাবেন, কি দেখবেন, কত সময় লাগবে সব তথ্য।
শীতকাল এলে পশ্চিমবঙ্গ নতুন রূপে ফুটে ওঠে। রোদেলা দুপুর, কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল, সবুজ-হলুদ মাঠ আর শালসাগরের নীরবতা—সব মিলিয়ে রোড ট্রিপের জন্য এটি সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। কলকাতা থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার দূরত্বেই রয়েছে পাহাড়, জঙ্গল, নদী, সমুদ্র, ঐতিহ্য আর গ্রামবাংলার এক অসাধারণ ভাণ্ডার।
পশ্চিমবঙ্গের সেরা ১০টি রোড ট্রিপ
একজন অভিজ্ঞ ভ্রমণপ্রেমী হিসাবে আমি এই শীতে কলকাতার পাঠকদের জন্য বেছে নিয়েছি — কলকাতা থেকে পশ্চিমবঙ্গের সর্বোৎকৃষ্ট, সবচেয়ে সুন্দর ১০টি রোড ট্রিপ।
চলুন এবার একে একে জেনে নেওয়া যাক কোন রাস্তায় কী অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে…
১. কলকাতা শান্তিনিকেতন রোড ট্রিপ

যাত্রার সৌন্দর্য ও অভিজ্ঞতা
শীতের সকালের নরম আলো, আর হালকা কুয়াশার ভেতর দিয়ে যখন NH19 ধরে এগোবেন, রাস্তার দুই পাশের সর্ষেখেত আর শীতের ধানখেত মন ভরিয়ে দেবে। সাক্তিগড়ের বিখ্যাত ল্যাংচা খাওয়া যেন এ রোড ট্রিপের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
বোলপুরে পৌঁছানোর পর চারদিকে মাটির ঘ্রাণ, শিল্পীদের রাস্তার ধারের দোকান, রাঙা মাটির পথ—সব মিলিয়ে শান্তিনিকেতন শীতের সময় যেন আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথের তীর্থভূমি বলতেই মনে আসে শান্তি, প্রকৃতি আর সংস্কৃতির এক আশ্চর্য সুর। এই কলকাতা শান্তিনিকেতন রোড ট্রিপ আশাকরি আপনার স্মৃতিতে অনেকদিন থেকে যাবে।
- গাড়ি চালানোর সময়: ৪–৫ ঘণ্টা
- আদর্শ রুট: কলকাতা → ডানকুনি → সিঙ্গুর → শক্তিগড় → বর্ধমান → বোলপুর → শান্তিনিকেতন
- স্থানীয় আকর্ষণ: রবীন্দ্র ভবন, বিশ্বভারতী ক্যাম্পাস, শালবন, কোপাই নদী, শনিবার হাট, কলাভবন ঘুরে দেখা।
- পরামর্শ: ভ্রমণ হলে শনিবারে রাখুন—শনিবার হাট মিস করবেন না।
আরও পড়ুন – কলকাতা থেকে বাইক ভ্রমণের সেরা 10 টি গন্তব্য – অন্যান্য তথ্য সহ
২. কলকাতা দিঘা রোড ট্রিপ

যাত্রার সৌন্দর্য ও অভিজ্ঞতা
সমুদ্রের টানেই দিঘার রোড ট্রিপ সবচেয়ে জনপ্রিয়। সকাল সকাল শহর ছাড়লে NH16-এর মসৃণ রাস্তা আপনাকে দ্রুত এগিয়ে নেবে। কলাঘাটে নদীর ধারের ধাবা গুলোতে বিরতি দিলে আরও প্রাণ জুড়োবে।
উত্তরের বাতাস ভেসে আসতেই বোঝা যায়—সমুদ্র আর দূরে নেই। দিঘার সৈকতের ওপর শীতের রোদ একেবারে স্বর্ণালী। ঢেউ দেখে বসে থাকা, রাতের বাজার ঘোরা কিংবা ভোরবেলায় সি-বিচে হাঁটা—সব মিলিয়ে শীতের দিঘা এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা এই কলকাতা দিঘা রোড ট্রিপ।
- গাড়ি চালানোর সময়: ৫–৬ ঘণ্টা
- আদর্শ রুট: কলকাতা → কোলাঘাট → নন্দকুমার → কাঁথি → দিঘা
- স্থানীয় আকর্ষণ: নিউ দিঘা বিচ, ওল্ড দিঘা সৈকত, উদয়পুর বিচ, মেরিন অ্যাকোয়ারিয়াম।
৩. কলকাতা → মন্দারমণি–তাজপুর রোড ট্রিপ

যাত্রার সৌন্দর্য ও অভিজ্ঞতা
দিঘার থেকে তুলনামূলকভাবে শান্ত, বেশি নিরিবিলি ও বেশি সুন্দর তাজপুর–মন্দারমণি। রাস্তা দিঘারই মতো, তবে পৌঁছে মিলবে আরও প্রশান্ত পরিবেশ।
তাজপুরের লাল কাঁকড়ায় ভরা শান্ত সমুদ্রতট শীতকালে সূর্যের আলোয় ঝিলমিল করে। সন্ধ্যায় বিচে বসে ঢেউয়ের শব্দ শুনতে শুনতে চা খাওয়া—বিশুদ্ধ থেরাপি। কলকাতা থেকে সেরা ১০টি রোড ট্রিপের অন্যতম জনপ্রিয় এই যাত্রা আপনার ভাল লাগবেই।
- গাড়ি চালানোর সময়: ৪.৫–৫ ঘণ্টা
- আদর্শ রুট: কলকাতা → কোলাঘাট → নন্দকুমার → কাঁথি → মন্দারমনি / তাজপুর
- স্থানীয় আকর্ষণ: লাল কাঁকড়ার সৈকত, বিচ রোড, ওয়াটার স্পোর্টস, প্রাইভেট রিসর্ট অভিজ্ঞতা।
আরও পড়ুন – ওডিশার সেরা ১১ টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ঘুরে আসুন
৪. কলকাতা → অযোধ্যা পাহাড় (পুরুলিয়া) রোড ট্রিপ

যাত্রার সৌন্দর্য ও অভিজ্ঞতা
কলকাতা পুরুলিয়া রোড ট্রিপ – পুরুলিয়ার পথে লাল মাটির রাস্তায় শাল–পিয়ালের জঙ্গলের মধ্য দিয়ে শীতের সকালের মৃদু আলোয় গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা আলাদা। পুরুলিয়ার শুষ্ক পাহাড়ি জমি, অযোধ্যার সারি সারি খোলা পাহাড় আর বিস্তৃত আকাশ—সব মিলিয়ে এই যাত্রা এক রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার।
অযোধ্যা পাহাড়ের কোলের জলপ্রপাতগুলো শীতে যথেষ্ট জল ধরে রাখে। টুর্গা বা বামনি জলপ্রপাতের জলরাশির শব্দ শীতের আলোয় স্বচ্ছ সোনালি হয়ে ওঠে।
- গাড়ি চালানোর সময়: ৭–৮ ঘণ্টা
- আদর্শ রুট: কলকাতা → ডানকুনি → বর্ধমান → আসানসোল → পুরুলিয়া → অযোধ্যা পাহাড়
- স্থানীয় আকর্ষণ: বামনি জলপ্রপাত, মার্বেল লেক, খেয়রাবেরা বাঁধ, টুর্গা জলপ্রপাত, পাঞ্চেত বাঁধ।
৫. কলকাতা → বিষ্ণুপুর–মুকুটমনিপুর রোড ট্রিপ**

যাত্রার সৌন্দর্য ও অভিজ্ঞতা
এই রুটটি ইতিহাস ও প্রকৃতির এক দুর্দান্ত মিশ্রণ। বিষ্ণুপুর শহরে ঢুকলেই রাজবংশীর শিল্প-ঐতিহ্যের অনবদ্য ছাপ টের পাওয়া যায়। শীতের দুপুরে লাল ইটের টেরাকোটা মন্দিরগুলো এক অন্য রূপে সেজে ওঠে।
বিষ্ণুপুর দেখার পর মুকুটমনিপুরের পথে গাড়ি চালাতে চালাতে দেখবেন পাহাড়ঘেরা নিস্তব্ধ গ্রাম। কংসাবতী বাঁধের জলরাশি শীতের সূর্যাস্তে রূপ নেয় এক অপূর্ব ক্যানভাসে।
- গাড়ি চালানোর সময়: ৬–৭ ঘণ্টা
- আদর্শ রুট: কলকাতা → ডানকুনি → আরামবাগ → কোতুলপুর → বিষ্ণুপুর → মুকুটমনিপুর
- স্থানীয় আকর্ষণ: টেরাকোটা মন্দির, মদনমোহন মন্দির, শ্যামরায়, রসামঞ্চ, কংসাবতী বাঁধ, ডিয়ার পার্ক।
আরও পড়ুন – ভারতের সেরা 12 টি জনপ্রিয় রাফটিং স্পট – যারা এডভেঞ্চার ভালবাসেন
৬. কলকাতা → বক্রেশ্বর–শান্তিনিকেতন কম্বো রোড ট্রিপ

যাত্রার সৌন্দর্য ও অভিজ্ঞতা
শীতকালে বক্রেশ্বরের উষ্ণ প্রস্রবণ শরীর-মন উভয়কেই আরাম দেয়। বক্রেশ্বর যাওয়ার পথে গ্রামের নিরিবিলি রাস্তা, সবুজ-হলুদ ধানক্ষেত আর মাঝে মাঝে আঁকাবাঁকা পথ রোড ট্রিপটিকে বিশেষ করে তোলে।
অনেকে শান্তিনিকেতন ভ্রমণের সঙ্গেই বক্রেশ্বরকে একই রুটে রাখেন—কারণ প্রকৃতি দু’জায়গাতেই শান্ত, মনোরম এবং শীতকালে অতুলনীয়।
- গাড়ি চালানোর সময়: ৫–৬ ঘণ্টা
- আদর্শ রুট: কলকাতা → ডানকুনি → সিঙ্গুর → শক্তিগড় → বর্ধমান → বোলপুর → বক্রেশ্বর
- স্থানীয় আকর্ষণ: বক্রেশ্বরের উষ্ণ প্রস্রবণ, তপোবন, বক্রেশ্বর মন্দির, শালবন, শান্তিনিকেতন এলাকা।
৭. কলকাতা → সিটং–লেপচাজগৎ (নর্থ বেঙ্গলের স্বাদ) রোড ট্রিপ

(ফ্লাইট বা ট্রেন ধরে নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছে সেখান থেকে রোড ট্রিপ শুরু—তবে কলকাতার পাঠকদের জন্য এটি খুব জনপ্রিয় পরিকল্পনা, তাই তালিকায় রাখা হয়েছে।)
যাত্রার সৌন্দর্য ও অভিজ্ঞতা
যদি শীতের ভ্রমণে পাহাড়কে অন্তর্ভুক্ত করতে চান, সিটং–লেপচাজগৎ রুটটি স্বপ্নের মতো সুন্দর। সিটং-এর কমলার বাগান শীতকালের সময় পূর্ণ বিকশিত থাকে।
রাস্তাগুলো খুব বেশি খাড়া নয়—তাই নতুন ড্রাইভারদের জন্যও উপযোগী। শীতে আকাশ পরিষ্কার থাকায় লেপচাজগট থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য মনকে অভিভূত করে। সেরা ১০টি রোড ট্রিপগুলির অন্যতম এই ট্রিপের যাত্রাপথের সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই।
- গাড়ি চালানোর সময়(NJP থেকে): ৩–৪ ঘণ্টা
- আদর্শ রুট: NJP → সেবক → কালিঝোরা → লাতপাঞ্চার → সিটং → লেপচাজগত
- স্থানীয় আকর্ষণ: কমলার বাগান, চা-বাগান, তিস্তার ভিউ, হিমালয়ের দৃশ্য, বার্ডওয়াচিং।
৮. কলকাতা সুন্দরবন রোড ট্রিপ

যাত্রার সৌন্দর্য ও অভিজ্ঞতা
কলকাতা সুন্দরবন রোড ট্রিপ – জঙ্গলের প্রতি যারা দুর্বল, তাদের জন্য এই রোড ট্রিপ অসাধারণ। ক্যানিং-এর পর থেকেই লাগাতার জলাভূমি আর সরু গ্রামবাংলার রাস্তা শুরু হয়ে যায়।
শীতকালে সুন্দরবনে ভ্রমণ অত্যন্ত উপযুক্ত—তাপমাত্রা আরামদায়ক, নৌকাভ্রমণ আনন্দদায়ক এবং বন্যপ্রাণী দেখার সম্ভাবনা সর্বোচ্চ থাকে।
গোডখালি গাড়ি রাখার জায়গা। সেখান থেকে জঙ্গল ভ্রমণ শুরু হয় নৌকায় চেপে।
- গাড়ি চালানোর সময়: ৩.৫–৪.৫ ঘণ্টা (Godkhali পর্যন্ত)
- আদর্শ রুট: কলকাতা → বারুইপুর → ক্যানিং → গড়খালি
- স্থানীয় আকর্ষণ: ম্যানগ্রোভ বোট সাফারি, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ট্র্যাকিং, গোসাবা, পাখি দেখা, হান্টিং টাওয়ার।
৯. কলকাতা → গরুমারা–লাটাগুড়ি (সাফারি রোড ট্রিপ)

(এটিও সিলিগুড়ি থেকে শুরু হবে, তবে কলকাতার শীতকালীন গন্তব্য তালিকায় অত্যন্ত জনপ্রিয়।)
যাত্রার সৌন্দর্য ও অভিজ্ঞতা
গরুমারার রোড ট্রিপটি জঙ্গলপ্রেমীদের জন্য স্বর্গ। লম্বা শালবন, নদী, নরম বাতাস আর শীতকালীন পরিষ্কার আবহাওয়া—সব মিলিয়ে রোড ট্রিপ হতে হতে সাফারি নিজেই অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।
মূর্তি নদীর ধারে সন্ধ্যার আগুনবৃত্ত—অসাধারণ স্মৃতি।
- গাড়ি চালানোর সময়(Siliguri থেকে): ১.৫–২ ঘণ্টা
- আদর্শ রুট: শিলিগুড়ি → মূর্তি → লাটাগুড়ি → গরুমারা
- স্থানীয় আকর্ষণ: গরুমারা জঙ্গল সাফারি, রাইনো দেখা, ওয়াচটাওয়ার, মূর্তি নদী।
১০. কলকাতা → জয়পুর জঙ্গল–বড়জোড়া–সাপদাড়ি রোড ট্রিপ

যাত্রার সৌন্দর্য ও অভিজ্ঞতা
জয়পুর জঙ্গলের উচ্চ শালগাছগুলো শীতের আলোয় একটি অদ্ভুত মায়াবী দৃশ্য তৈরি করে। রাস্তায় মাঝেমধ্যে হরিণ দৌড়ে যেতে দেখা যায়।
এ রুটটি তুলনামূলক কম ভিড়ে, খুবই শান্ত এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে ভরা— ‘সেরা ১০টি রোড ট্রিপ’ এর অন্যতম যারা নির্জন প্রকৃতি খুঁজছেন, তাদের জন্য একদম পারফেক্ট।
- গাড়ি চালানোর সময়: ৫–৬ ঘণ্টা
- আদর্শ রুট: কলকাতা → ডানকুনি → আরামবাগ → কোতুলপুর → জয়পুর ফরেস্ট → বরজোড়া
- স্থানীয় আকর্ষণ: জয়পুর জঙ্গল, বুনো হাতির চলাচল, সাপদাড়ির পাহাড়ি রাস্তা, স্থানীয় গ্রামবাংলার অভিজ্ঞতা।
শীতকাল—কেন রোড ট্রিপের জন্য সেরা সময়?
- তাপমাত্রা আরামদায়ক, দীর্ঘ ড্রাইভেও কম ক্লান্তি
- রাস্তা শুকনো থাকে, ফলে গাড়ি চালানো নিরাপদ
- সর্ষেখেত, কুয়াশা, জঙ্গল, নদী—শীতই দৃশ্যপটকে সবচেয়ে সুন্দর করে
- পাহাড়ে মেঘ কম থাকে, ফলে দূরের দৃশ্য ভালো দেখা যায়
- জঙ্গলে বন্যপ্রাণী দেখার সম্ভাবনা বেশি
- সমুদ্রতট পরিষ্কার ও আরামদায়ক
রোড ট্রিপ টিপস (ভ্রমণের আগে অবশ্যই পড়ুন)
- গাড়ির টায়ার, ব্রেক, ইঞ্জিন অয়েল চেক করে নিন
- শীতকালে কুয়াশা পড়ে—Fog Light অবশ্যই ব্যবহার করুন
- গ্রামের রুটে রাতের পরে ড্রাইভ না করাই ভালো
- অফলাইন ম্যাপ ডাউনলোড করে নিন
- পাওয়ার ব্যাংক, গাড়ির চার্জার, প্রাথমিক চিকিৎসা রাখুন
- জঙ্গলে গাড়ির হর্ন কম ব্যবহার করুন
- দীর্ঘ রুটে প্রতি ১.৫–২ ঘণ্টা পর বিরতি নিন
রোড ট্রিপ প্যাকিং লিস্ট
- লাইট জ্যাকেট ও উইন্ডশিটার
- শুকনো খাবার, জল
- ক্যামেরা ও চার্জার
- টর্চ
- বৃষ্টি হলে কাজে লাগার মতো পাতলা রেইনকভার
- সানগ্লাস
- ট্রাভেল স্লিপার
শেষ কথা
কলকাতা থেকে এতসব বৈচিত্র্যময় গন্তব্য—সমুদ্র, পাহাড়, নদী, জঙ্গল আর ঐতিহ্য—সবকিছুই কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে। শীতকাল বছরে সবচেয়ে সুন্দর সময় যখন এই সব রুটগুলি তাদের স্বরূপে জেগে ওঠে।
উপরের এই সেরা ১০টি রোড ট্রিপ আপনাকে নতুন স্মৃতি গড়তে সাহায্য করবে—হয়তো বন্ধুদের সঙ্গে, বা পরিবারের সঙ্গে, কিংবা একা নিজের সঙ্গে চুপচাপ কিছু সময় কাটাতে।

প্রতীক দত্তগুপ্ত, থাকেন কলকাতায়, কাজ বাদে বেড়ানোই যার প্রথম ভালবাসা। এই কয়েক বছর হল বেড়ানোর সাথে কলমও ধরেছেন । তিনি শুধুমাত্র যে জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন সেগুলি সম্পর্কেই ব্লগ করেন না, তবে তিনি তার অনুগামীদের জন্য টিপস, কৌশল এবং নির্দেশিকাগুলি সম্পর্কেও পোস্ট করেন৷