সপরিবারে অযোধ্যা পাহাড় ভ্রমণ করার সম্পূর্ণ গাইড। সেরা রিসোর্টের তালিকা, ৩ দিন ২ রাতের সম্ভাব্য খরচ এবং বুকিংয়ের খুঁটিনাটি জানুন এই প্রতিবেদনে।
শহরের যান্ত্রিকতা আর কর্মব্যস্ত জীবন থেকে মুক্তি পেতে আমরা অনেকেই একটু শান্ত ও প্রকৃতির সান্নিধ্য খুঁজি। পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার অযোধ্যা পাহাড় (Ajodhya Hills) তেমনই এক মায়াবী গন্তব্য। লাল মাটির পথ, পলাশ বনের রূপ, পাহাড়ের ভাঁজে লুকিয়ে থাকা ঝরনা আর আদিবাসী সংস্কৃতির ছোঁয়া—সব মিলিয়ে অযোধ্যা পাহাড় সপরিবারে একটি আদর্শ ছুটির ঠিকানা।
আপনি যদি ২০২৬ সালের কোনো ছুটিতে পরিবারের সাথে এখানে আসার পরিকল্পনা করেন, তবে এই বিস্তারিত অযোধ্যা পাহাড় ভ্রমণ গাইডটি আপনার জন্য। এখানে আমরা আলোচনা করব কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন, কী দেখবেন এবং আপনার ৩ দিন ২ রাতের আদর্শ ট্যুর প্ল্যান কেমন হওয়া উচিত।
কেন সপরিবারে অযোধ্যা পাহাড় ভ্রমণ সেরা?
অযোধ্যা পাহাড় কেবল একটি সাধারণ পাহাড় নয়, এটি ছোটনাগপুর মালভূমির একটি অংশ এবং এখানকার প্রতিটি বাঁক নতুন এক গল্পের জন্ম দেয়। পরিবার নিয়ে আসার প্রধান কারণগুলো হলো:
- সহজ যাতায়াত: কলকাতা থেকে ট্রেন বা সড়কপথে খুব সহজেই পৌঁছানো যায়।
- নিরাপদ পরিবেশ: এখানকার মানুষ অত্যন্ত সরল এবং পর্যটকদের জন্য এলাকাটি অত্যন্ত নিরাপদ।
- শিক্ষামূলক ভ্রমণ: বাচ্চাদের জন্য ছৌ নাচের মুখোশ তৈরি দেখা বা হাইড্রো-ইলেকট্রিক প্রজেক্ট দেখার অভিজ্ঞতা দারুণ শিক্ষামূলক হতে পারে।
- বাজেট ফ্রেন্ডলি: লাক্সারি রিসোর্ট থেকে শুরু করে সাধারণ হোমস্টে—সবই সাধ্যের মধ্যে পাওয়া যায়।
অযোধ্যা পাহাড় যাওয়ার সেরা সময়

অযোধ্যা পাহাড়ের সৌন্দর্য ঋতুভেদে পরিবর্তিত হয়। তবে পর্যটকদের জন্য সেরা সময়গুলো হলো:
- শীতকাল (অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি): আবহাওয়া অত্যন্ত মনোরম থাকে। ঘুরে বেড়ানোর জন্য এটিই শ্রেষ্ঠ সময়।
- বসন্তকাল (ফেব্রুয়ারি শেষ থেকে মার্চ): এই সময়ে আকাশ লাল করে ফুটে ওঠে পলাশ ফুল। চারিদিকে আগুন রাঙা পলাশের মেলা দেখতে প্রচুর মানুষ এই সময় ভিড় করেন।
- বর্ষাকাল (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর): যারা পাহাড়ের সবুজ রূপ এবং ঝরনার গর্জন ভালোবাসেন, তাদের জন্য বর্ষা আদর্শ। তবে পাহাড়ের রাস্তায় চলাচলে কিছুটা সাবধানতা প্রয়োজন।
কীভাবে পৌঁছাবেন?
ট্রেনপথে:
কলকাতা থেকে পুরুলিয়া বা বরাভূম (Barabhum) স্টেশনে নামা সবথেকে সুবিধাজনক।
- রুপসী বাংলা এক্সপ্রেস: হাওড়া থেকে প্রতিদিন সকালে ছাড়ে।
- চক্রধরপুর এক্সপ্রেস: হাওড়া থেকে রাত ১২টার দিকে ছাড়ে এবং খুব ভোরে বরাভূম পৌঁছে দেয়।
- লালমাটি এক্সপ্রেস: সপ্তাহে নির্দিষ্ট কয়েকদিন চলে।
বরাভূম বা পুরুলিয়া স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করে সহজেই অযোধ্যা পাহাড়ের হিলটপে পৌঁছানো যায়।
সড়কপথে:
কলকাতা থেকে অযোধ্যা পাহাড়ের দূরত্ব প্রায় ৩০০-৩২০ কিমি। NH19 (দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে) ধরে আসানসোল হয়ে অথবা বাঁকুড়া হয়ে পুরুলিয়া ঢোকা যায়। নিজের গাড়িতে পরিবার নিয়ে রোড ট্রিপের আনন্দই আলাদা।
আরও পড়ুন – বড়ন্তি পুরুলিয়া ভ্রমণ গাইড, সব তথ্য সহ
অযোধ্যা পাহাড়ের সেরা দর্শনীয় স্থানসমূহ
অযোধ্যা পাহাড়ের আশেপাশে দেখার মতো জায়গার অভাব নেই। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. আপার ড্যাম ও লোয়ার ড্যাম (Upper & Lower Dam)
এটি পুরুলিয়া পাম্পড স্টোরেজ প্রজেক্টের (PPSP) অংশ। পাহাড়ের উপরে দুটি বিশাল কৃত্রিম জলাধার। পাহাড়ের খাঁজে নীল জলরাশি আর চারপাশের সবুজ পাহাড় মিলে এক অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্য তৈরি করে। বিকেলের দিকে এখানকার সূর্যাস্ত মিস করা একদম উচিত নয়।
২. বামনী ফলস (Bamni Falls)

অযোধ্যা পাহাড়ের সবথেকে জনপ্রিয় ঝরনা। তবে মনে রাখবেন, মূল ঝরনার কাছে পৌঁছাতে প্রায় ৪০০-৪৫০টি সিঁড়ি ভেঙে নিচে নামতে হয়। বয়স্কদের জন্য কিছুটা কষ্টকর হতে পারে, কিন্তু নিচের পরিবেশ খুবই শান্ত ও স্নিগ্ধ।
৩. মার্বেল লেক (Marble Lake)
অনেকে একে ‘পুরুলিয়ার নীল লেক’ও বলেন। একটি পুরনো পাথর খনি বা কোয়ারি থেকে এই লেকটি তৈরি হয়েছে। স্বচ্ছ নীল জল আর চারপাশের ধূসর পাথুরে পাহাড় আপনাকে রাজস্থান বা লাদাখের কথা মনে করিয়ে দেবে।
৪. ময়ূর পাহাড় (Mayur Pahar)
এখান থেকে পুরো অযোধ্যা রেঞ্জের এক চমৎকার প্যানোরামিক ভিউ পাওয়া যায়। ভোরে সূর্যোদয় দেখার জন্য এটি অন্যতম সেরা জায়গা। লোককথা অনুযায়ী, এখানে একসময় প্রচুর ময়ূর দেখা যেত।
৫. সীতাকুণ্ড (Sita Kund)
এটি একটি ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থান। জনশ্রুতি আছে, বনবাসকালে সীতার তৃষ্ণা মেটাতে রামচন্দ্র তীর বিদ্ধ করে মাটি থেকে জল বের করেছিলেন। আজও একটি ছোট গর্ত থেকে অবিরাম স্বচ্ছ জল বের হতে দেখা যায়।
৬. চড়িদা গ্রাম (Charida Village)

এটি বিশ্বখ্যাত ছৌ নাচের মুখোশ তৈরির গ্রাম। রাস্তার দুই ধারের প্রতিটি বাড়িতে দক্ষ কারিগররা মাটি ও কাগজ দিয়ে অদ্ভুত সুন্দর মুখোশ তৈরি করেন। পরিবারের ছোটদের জন্য এটি দারুণ এক অভিজ্ঞতার জায়গা হতে পারে। এখান থেকে ঘর সাজানোর জন্য মুখোশ কিনতেও ভুলবেন না।
৭. পাখি পাহাড় (Pakhi Pahar)
পাহাড়ের বিশাল গায়ে খোদাই করে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য পাখির প্রতিচ্ছবি। স্থানীয় শিল্পীদের অসাধারণ এক সৃষ্টি এটি। দূর থেকে পাহাড়টির এই শিল্পকর্ম এক অন্যরকম মাত্রা যোগ করে।
আদর্শ ট্যুর প্ল্যান (৩ দিন ২ রাত)
পরিবারের সাথে সময় কাটাতে একটি সঠিক পরিকল্পনার প্রয়োজন। নিচে একটি সহজ ট্যুর ম্যাপ দেওয়া হলো:
| দিন | গন্তব্য ও কার্যক্রম |
|---|---|
| ১ম দিন | সকালে স্টেশনে নেমে চেক-ইন। দুপুরে লাঞ্চের পর আপার ড্যাম, লোয়ার ড্যাম ও সীতাকুণ্ড দর্শন। সন্ধ্যায় হিলটপ বাজারে সময় কাটানো। |
| ২য় দিন | খুব ভোরে ময়ূর পাহাড়ে সূর্যোদয় দেখা। ব্রেকফাস্টি সেরে বামনী ফলস, মার্বেল লেক ও তুর্গা ফলস ভ্রমণ। বিকেলে চড়িদা মুখোশ গ্রাম ঘুরে আসা। |
| ৩য় দিন | ব্রেকফাস্টের পর পাখি পাহাড় ও মুরুগুমা ড্যাম দেখে স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা। পথে খয়রাবেরা ড্যাম দেখে নিতে পারেন। |
আরও পড়ুন – দোল বা হোলিতে বেড়ানোর জায়গা পুরুলিয়া ঘুরে আসুন
কোথায় থাকবেন? (হোটেল ও রিসোর্ট)
অযোধ্যা পাহাড়ের চূড়ায় (Hilltop) এবং পাদদেশে (Bagmundi/Matha) অনেক থাকার জায়গা আছে।
- বিলাসবহুল রিসোর্ট: কুশল পল্লী (Kushal Palli) এখানকার অন্যতম জনপ্রিয় লাক্সারি রিসোর্ট। পরিবার নিয়ে আয়েশ করে থাকতে চাইলে এটি সেরা।
- সরকারি গেস্ট হাউস: WBCADC গেস্ট হাউস বা বন দপ্তরের বাংলো। এগুলো আগে থেকে অনলাইন বুকিং করতে হয়।
- বাজেট হোটেল ও হোমস্টে: হিলটপ বা বাঘমুন্ডি এলাকায় অনেক বেসরকারি হোটেল আছে যেমন— মালগুডি রিসোর্ট, মোহুল পলাশ ইত্যাদি।
স্থানীয় খাবার ও সংস্কৃতি
পুরুলিয়া ভ্রমণে গিয়ে স্থানীয় খাবার ট্রাই না করলে ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
- খাবার: এখানকার সাধারণ বাঙালি থালি (ভাত, ডাল, সবজি ও দেশি মুরগির ঝোল) দারুণ সুস্বাদু। এছাড়া স্থানীয় পিঠে-পুলি বা মহুয়ার গন্ধ আপনাকে মুগ্ধ করবে।
- ছৌ নাচ: অনেক রিসোর্ট বা হোটেলে পর্যটকদের জন্য সন্ধ্যার সময় ছৌ নাচের (Chhau Dance) আয়োজন করা হয়। মুখোশ পরে বীরত্বপূর্ণ এই নাচ সপরিবারে দেখার মতো একটি বিষয়।
অযোধ্যা পাহাড়ের সেরা কিছু রিসোর্ট ও বুকিং তথ্য
পরিবারের সাথে থাকার জন্য অযোধ্যা পাহাড়ে বেশ কিছু ভালো মানের রিসোর্ট ও সরকারি বাংলো রয়েছে।
ক. কুশল পল্লী (Kushal Palli) – বিলাসবহুল

যারা আভিজাত্য এবং লাক্সারি পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি সেরা। এখানে সুইমিং পুল, জিম এবং বড় বাগান আছে।
- অবস্থান: হিলটপ, অযোধ্যা পাহাড়।
- খরচ: প্রতি রাত প্রায় ৫,০০০ – ৮,০০০ টাকা (সিজন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়)।
- বুকিং: এদের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি বুক করা যায়।
খ. মালগুডি রিসোর্ট (Malgudi Resort) – মধ্যম বাজেট
এটি একটি থিম রিসোর্ট এবং পরিবারের সাথে থাকার জন্য অত্যন্ত আরামদায়ক ও নিরাপদ।
- অবস্থান: অযোধ্যা হিলটপ।
- খরচ: প্রতি রাত ২,৫০০ – ৩,৫০০ টাকা।
- বুকিং: বিভিন্ন ট্রাভেল পোর্টাল বা সরাসরি ফোন কলের মাধ্যমে।
গ. ডব্লিউ.বি.সি.এ.ডি.সি গেস্ট হাউস (WBCADC Guest House) – সরকারি ও নির্ভরযোগ্য

এটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি গেস্ট হাউস। কম খরচে ভালো পরিষেবা ও খাবারের জন্য এটি পর্যটকদের প্রথম পছন্দ।
- অবস্থান: হিলটপ।
- খরচ: ১,২০০ – ২,৫০০ টাকা।
- বুকিং: WBCADC-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আগেভাগে বুক করতে হয়।
ঘ. আকাশমণি ও পলাশ রিসোর্ট (Matha Forest Range)
যারা পাহাড়ের একদম নিচে জঙ্গলের আমেজ পেতে চান, তারা মাথা পাহাড়ের কাছের এই রিসোর্টগুলোতে থাকতে পারেন।
- খরচ: ১,৫০০ – ২,০০০ টাকা।
ভ্রমণ খরচের একটি সম্ভাব্য ধারণা (Cost Estimation)
একটি ৩ দিন ২ রাতের সফরে ৪ জনের একটি পরিবারের জন্য আনুমানিক খরচের হিসাব নিচে দেওয়া হলো:
| খাতের নাম | আনুমানিক খরচ (টাকা) | মন্তব্য |
|---|---|---|
| ট্রেন টিকিট | ১,২০০ – ৩,০০০ | স্লিপার বা এসি ক্লাসের ওপর নির্ভরশীল। |
| আবাসন (রিসোর্ট) | ৪,০০০ – ১০,০০০ | ২ রাতের জন্য (মাঝারি মানের রিসোর্ট ধরলে)। |
| খাবার খরচ | ৫,০০০ – ৭,০০০ | ৩ দিনের জন্য চারজন মানুষের পুষ্টিকর খাবার। |
| গাড়ি ভাড়া (সাইডসিন) | ৭,০০০ – ৯,০০০ | স্টেশন থেকে যাতায়াত এবং ২ দিন ঘোরার জন্য বোলেরো/সুমো। |
| অন্যান্য (এন্ট্রি ফি/গাইড) | ১,০০০ – ২,০০০ | ছৌ নাচ দেখা বা গাইড চার্জ। |
| মোট সম্ভাব্য খরচ | ১৮,০০০ – ৩১,০০০ | এটি আপনার পছন্দের মান অনুযায়ী কম-বেশি হতে পারে। |
পর্যটকদের জন্য কিছু জরুরি টিপস
- গাড়ি বুকিং: সাইডসিন বা ঘোরার জন্য আগে থেকে গাড়ি ঠিক করে রাখা ভালো। বিশেষ করে সিজনে গাড়ির খুব চাহিদা থাকে।
- পোশাক: শীতকালে গেলে পর্যাপ্ত গরম কাপড় সাথে রাখুন, কারণ রাতে বেশ ভালোই ঠান্ডা পড়ে।
- নগদ টাকা: পাহাড়ি এলাকায় নেটওয়ার্কের সমস্যা হতে পারে, তাই সাথে পর্যাপ্ত নগদ টাকা (Cash) রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
- পরিবেশ রক্ষা: পাহাড় বা ঝরনার কাছে প্লাস্টিক বা জঞ্জাল ফেলবেন না। প্রকৃতির পবিত্রতা বজায় রাখুন।
- আগাম বুকিং: বিশেষ করে শীতকালে (ডিসেম্বর-জানুয়ারি) বা পলাশ উৎসবের সময় (মার্চ) অন্তত ২ মাস আগে হোটেল বা রিসোর্ট বুক করে রাখা ভালো।
- গাড়ি বুকিং: পুরুলিয়া বা বরাভূম স্টেশনে নেমে সরাসরি গাড়ি না খুঁজে আগে থেকে কোনো পরিচিত ড্রাইভারের সাথে কথা বলে রাখা ভালো। এতে দরদাম করতে সুবিধা হয়।
- অনলাইন বনাম অফলাইন: সরকারি গেস্ট হাউসগুলো শুধুমাত্র অনলাইনেই বুক করা সম্ভব। বেসরকারি হোটেলের ক্ষেত্রে সরাসরি ফোনে কথা বলে কিছু অগ্রিম টাকা দিয়ে বুকিং কনফার্ম করা নিরাপদ।
উপসংহার
পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় সপরিবারে ভ্রমণের জন্য এক অনন্য স্থান। এখানকার শান্ত পাহাড়, আদিবাসী গান আর লাল মাটির গন্ধ আপনার মনের ক্লান্তি ধুয়ে দেবে। পরিবারকে নিয়ে একবার এই রুক্ষ অথচ স্নিগ্ধ সৌন্দর্যের দেশে কাটিয়ে আসুন কয়েকটা দিন— কথা দিচ্ছি, এই স্মৃতি অনেকদিন অমলিন হয়ে থাকবে।
আপনি কি আপনার পরবর্তী ভ্রমণের জন্য অযোধ্যা পাহাড়কে বেছে নিচ্ছেন? কোনো প্রশ্ন থাকলে নিচে আমাদের জানাতে পারেন।

প্রতীক দত্তগুপ্ত, থাকেন কলকাতায়, কাজ বাদে বেড়ানোই যার প্রথম ভালবাসা। এই কয়েক বছর হল বেড়ানোর সাথে কলমও ধরেছেন । তিনি শুধুমাত্র যে জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন সেগুলি সম্পর্কেই ব্লগ করেন না, তবে তিনি তার অনুগামীদের জন্য টিপস, কৌশল এবং নির্দেশিকাগুলি সম্পর্কেও পোস্ট করেন৷
